প্রযুক্তি

কি হয় মহাকাশে পরিত্যক্ত স্যাটেলাইট এর?

উপগ্রহ তো আমরা সকলেই চিনি। যেগুলো পৃথিবীকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণ করে। আর এই উপগ্রহ হয় দুই ধরনের। যথা – প্রাকৃতিক উপগ্রহ & কৃত্রিম উপগ্রহ। স্যাটেলাইট শব্দটা জ্যোতির্বিজ্ঞানে প্রথম ব্যবহার করেছিলেন জোহানেস কেপলার, ১৬১০ সালে, বৃহস্পতিকে ঘিরে ঘূর্ণায়মান চাঁদগুলোকে বুঝানোর জন্য, স্যাটেলাইট হল কৃত্রিম উপগ্রহ যেটা প্রাকৃতিক নয় মানবসৃষ্ট। এই উপগ্রহ পুরো পৃথিবীকে ২৪ ঘন্টা পর পর অতিক্রম করে। দূরবর্তী টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট, টিভি চ্যানেল সম্প্রচার এ স্যাটেলাইট / Satellite আমাদের ব্যাপকভাবে সাহায্য করে। যদিও এটি একটি ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া।

২০২১ সালে প্রায় ৯৯০ টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হবে। এই স্যাটেলাইটের অনেকগুলো মহাকাশে অকেজো হয়ে জঞ্জাল সৃষ্টি করবে। এমনকি বিজ্ঞানীরা এখন মহাকাশে কাঠের তৈরি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের চেষ্টা করছে। বর্তমানে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে ৬,০০০ হাজারের মতো স্যাটেলাইট, যার মধ্যে প্রায় ৬০ ভাগই অকেজো অবস্থায় রয়েছে। আর এই স্যাটেলাইটের জঞ্জাল ঘিরে আছে পুরো পৃথিবীতেই।
২০২৮ সালে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করবে প্রায় ১৫ হাজারের মতো স্যাটেলাইট, আর এই স্যাটেলাইটের জঞ্জাল তথা মহাকাশের সব জঞ্জাল ঘন্টায় ২২ হাজার ৩০০ মাইল গতিতে চলে,মাঝে মাঝে এই স্যাটেলাইটের জঞ্জাল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং তা ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমানে এই স্যাটেলাইটের জঞ্জাল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এর উপর বিরূপ প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে, এবং ভবিষ্যতে তা আরও ভয়াবহ রূপ নেবে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছে, এজন্য এর বিকল্প হিসেবে কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা কাঠের কাঠের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। আরে প্রোজেক্টের সঙ্গে যুক্ত আছেন নবসারি তাকাও।

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *