পড়াশোনা

যেকোনো সময় খুলতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

করোনা মহামারীর জন্য দীর্ঘদিন স্কুল-কলেজ বন্ধ রয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ রোধের জন্য পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।

কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর জোর দিতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

এদিকে দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হার নিম্নমুখী। বিশ্বব্যাপি প্রায় প্রতিটি দেশেই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়ে গেছে। বাংলাদেশেও ইতিমধ্যে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়ে গেছে এবং অনেক মানুষ টিকা নিয়েছে। এ সময় প্রথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, দেশব্যাপী টিকাদান শুরু হয়ে গেছে তাই, যেকোনো সময় স্কুল খুলে দেওয়া হবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন সকল শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক টিকা নিতে হবে।

প্রার্থনীয় ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক। তিনি আমাকে ফোন করে বলেন, সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের টিকা দিয়ে দাও, আমরা যে কোন সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেব। যেন কোন শিক্ষক ও কর্মকর্তা টিকার আওতার বাইরে না থাকে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে এখনো স্কুল খোলার সময় আসেনি। যদি খুলতে হয় তাহলে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে টিকা দিতে হবে। পাশাপাশি কঠোর ভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যেন কোনভাবে শিশুদের মাঝে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগে সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। স্কুলে ঢোকার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরস্পর থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এ ধরনের প্রস্তুতি পরেও যদি কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ থাকে তাহলে দ্রুত তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

যেহেতু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের টিকা প্রদান করা যাবে না, যেহুতু আমরা যদি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করতে পারি তাহলে যদি কোনো শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত হয় কিভাবে আমরা এ দায়ভার নিবো।

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *