পড়াশোনা

স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

করোনাভাইরাস এর কারণে আক্রান্ত প্রায় প্রতিটি দেশে স্কুল কলেজ বন্ধ ছিল । ইতিমধ্যে অনেক দেশের স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হচ্ছে, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত বন্ধ আছে।

সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তে এসেছে বলে জানা গেছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর এখন শুধু দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর ক্লাস নিয়মিত হবে। আর বাকি ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীরা সপ্তাহে একদিন যে ক্লাস করবে।

শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি আরো জানিয়েছে।

ইতিমধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের বিদ্যমান আইন সংশোধনের প্রস্তাব ও সংসদে পাস হয়েছে। হয়তো জানুয়ারি মাসের মধ্যেই এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে। তিনি আরো জানিয়েছে, এ বছরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংক্ষিপ্ত সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। কারণ চলতি বছরে প্রায় একটা বছর তারা ক্লাসে উপস্থিত হয়ে তাদের পাঠদান করতে পারে নি বিধায় সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করে তাদের পরীক্ষা নেয়া হবে। যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে সেগুলো প্রত্যেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হচ্ছে। এর ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

করোনাকালীন শিক্ষাব্যবস্থা অনেকটাই পিছিয়ে গেছে। তবে ছাত্র-ছাত্রী যেন পড়ালেখা থেকে একদমই নিজেকে গুছিয়ে না নেই তার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছিল অনলাইন ক্লাস ব্যবস্থা। কিন্তু এই অনলাইন ক্লাস ব্যবস্থা ছাত্রছাত্রীর মাঝে কতটা ভূমিকা রাখতে পেরেছে, এই নিয়ে এখন পর্যন্ত অনেক বিতর্ক সম্মুখে আছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ছাত্র-ছাত্রীর কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে?

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবক অর্থাৎ পিতা-মাতার আয় রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেছে ।আর্থিক সমস্যার কারণে হয়তো অনেক ছাত্রী খাতা-কলম বই ছেড়ে বসতে হয়েছে বিয়ের পিঁড়িতে। অনেক ছাত্রের বেছে নিতে হয়েছে বাসের হেলপারি বা বেছে নিতে হয়েছে কল কারখানার শ্রমিক হিসেবে। স্কুল খোলার পর কত সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী বাইরে চলে যাবে এই নিয়ে এখনো পরিসংখ্যান আসেনি । তবে অনুমান করা যাচ্ছে প্রায় ৩৫- ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই করোনা পরিস্থিতিতে ঝরে পড়বে।

এখনো প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ করোনাই আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে চলার নিশ্চিত করতে হবে।প্রত্যেকটি অভিভাবকের দায়িত্ব কর্তব্য তার সন্তানকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাওয়ার আগে তাকে বুঝানো।

ট্যাগ

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *