সর্বশেষ

সামনে ভয়াবহ অবস্থার আশঙ্কা , পরিস্থিতি সামলাতে খুড়ে রাখা হচ্ছে আগাম কবর ।

করোনা মহামারীতে মৃত্যু বাড়ছে যেন লাফিয়ে লাফিয়ে , গেল এক মাসে প্রাণহানি ঘটেছে দেড় হাজারের বেশি । হাসপাতাল গুলোর পর এখন চাপ বাড়তে শুরু করেছে কবরস্থান গুলোতেও ।

করোনার মৃতদেহ দাফন করার জন্য ব্যস্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা যেন হাঁপিয়ে উঠেছে ‌। এর জন্য পরিস্থিতি সামাল দিতে আগাম কবর খুঁড়ে রাখতে বাধ্য হচ্ছে গোর খোদকরা ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ফেরা না করলে সামনে মানুষের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ পরিস্থিতি । বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় ঢাকা শহর জুড়ে চলছে এক লাশের মিছিল । কিছুক্ষণ পরপরই লাশবাহী গাড়ির শব্দে কেঁপে উঠছে লকডাউন স্তব্ধ নগরী ঢাকা শহর ।

দিনদিন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থান সঙ্কুলান করতে ব্যর্থ হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ , আই , সি , ইউ সংকটে অনেকে চিকিৎসা ছাড়াই মৃত্যুবরণ করছেন । লাশের সারি দেখে হাঁপিয়ে উঠেছেন গোরখোদক রাও ।

গত শুক্রবার মহামারী কালীন সময়ে সর্বাধিক মৃত্যুর রেকর্ড দেখেছে বাংলাদেশ , ঐদিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে । এখন পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হচ্ছে ,করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে এসে লাশ দাফনের জন্য নিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মানুষেরাও যেন হাঁফিয়ে উঠেছে ।

এক কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের কোন বিকল্প পথ নেই বলে মনে করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ।

ট্যাগ

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *