সর্বশেষ

করোনার ভ্যাকসিন দিতে মালদ্বীপে পাঠাবে বাংলাদেশী নার্স।

করোনার এই মহামারিতে সারা বিশ্ব এখনো আতঙ্কে। ভ্যাকসিন প্রতিটি দেশে পৌঁছালেও এখনো শতভাগ নিশ্চিত করতে পারিনি কোন দেশ। করোনাকালীন সময়ে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাই সর্বপ্রথম তাদের কে ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে শ্রেণীভাগ করে সবাইকে দেওয়া হবে।

ভ্যাকসিন প্রদানে বাংলাদেশ এখন পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা তে পৌঁছে গেছে এই করোনার ভ্যাকসিন। প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীরা ভেকসিন প্রদান করছে। স্বাস্থ্য কর্মীদের মধ্যে দুজন ঢাকা থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং চারজন তাদের সহকারী হিসেবে কাজ করছে।

করোনার এই মহামারিতে মালদ্বীপে বাংলাদেশ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন বলেছেন, মালদ্বীপে অবস্থিত দেশি-বিদেশি সবাইকে সরকারি খরচে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এই জন্য আমরা মালদ্বীপে কিছু সংখ্যক নার্স পাঠাবো।

মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ শহীদ বলেছে, করণা সময়ে বাংলাদেশের কর্মীরা মালদ্বীপে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে। এর জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।

এছাড়াও বাংলাদেশি কর্মী মালদ্বীপে যারা অনিবন্ধিত আছে তাদের নিবন্ধিত করা এবং যারা ফেরত আসতে চায় তাদের ফেরত আসার উপর সহযোগিতার জোরদার করে আব্দুল্লাহ শহীদ।

এছাড়াও আব্দুল্লাহ সহিদ জানান, মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ সফরে আসবে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ।

দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনা শেষে মোমেন বলেন, আমরা অনেকগুলো বিষয় প্রতি একমত পোষণ করছি। এর মধ্যে অন্যতম ম্যানপাওয়ার চুক্তি ও দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে সমঝোতা। এছাড়াও শপিং এবং বাণিজ্য বৃদ্ধি ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

ট্যাগ

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *