সর্বশেষ

৩০ হাজার করোনার ভ্যাকসিন পৌঁছালো কুষ্টিয়ায়।

করোনা ভাইরাস কে নির্মূল করার হাতিয়ার পেয়ে গেল কুষ্টিয়াবাসী। আজ ভোরে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জনের কার্যালয় পৌঁছেছে করোনাভাইরাস টিকা বহনকারী গাড়ি। ভ্যাকসিন পৌঁছানোর পর সকাল সাড়ে ছয়টায় গাড়ি থেকে নামানো হয় করোনা ভাইরাস নির্মূল করা ভ্যাকসিন। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর আনুষ্ঠানিকভাবে করোনার টিকা প্রদান করা হবে বলে জানা যায়।

আজ সকাল সাড়ে ছয়টায় ভ্যাকসিন নির্বাহি ফ্রিজার গাড়ি থেকে পাঁচটি ভ্যাকসিন এর কার্টুন নামানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম। পরবর্তীতে তিনি তার নিজ দায়িত্বে ভ্যাকসিন গুলো বুঝে নেন। যেখানে আগে থেকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল পাঁচটি ফ্রিজ। তার মধ্যে দুইটি ফ্রিজে রাখা হয়েছে এই টিকা গুলো এখনো বাকি তিনটি ফ্রিজ ফাঁকা আছে।

সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে আরো জানা গেছে, যে পাঁচটি কার্টুনে ভ্যাকসিন এসেছে। প্রতীক কার্টুনে ১ হাজার ২০০ ভয়েল শিশি টিকা রয়েছে। যার প্রতিটি ভয়েলে রয়েছে ১০ টি করে ডোজ। প্রতি কার্টুনে ১২ হাজার ডোজ টিকা আছে। এই টিকা ৩০ হাজার ব্যক্তিকে দেওয়া যাবে বলে জানা যায়।

সিভিল সার্জন এইস এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, খুলনা বিভাগে প্রথম জেলা হিসেবে টিকা গ্রহণ করা হলো। প্রথম চালানে যে টিকা পাওয়া গেছে এতে অন্তত ৩০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হবে । এছাড়াও একই দিন মেহেরপুরসহ আরো পাঁচটি জেলায় এই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

কোন শ্রেণীর ব্যক্তি প্রথমে পাবে ভ্যাকসিন?

প্রথম ধাপে ১৫ শ্রেণীর ক্যাটাগরির ব্যক্তিরা এ ভ্যাকসিন পাওয়ার অগ্রাধিকার পাবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুটি, এছাড়া জেলা হাসপাতালে চারটি করে পাবে । প্রতিটি বুতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ব্যক্তি থাকবে যারা গ্রহণকারীদের টিকা দিবেন। যার মধ্যে দুইজন থাকবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং চারজন থাকবে তাদের সহকর্মী বা স্বেচ্ছাসেবক। টিকা দেওয়ার জন্য দক্ষ টিকা কর্মীদের ইতিমধ্যে ঢাকায় নিয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এখন তাদের দায়িত্ব যারা স্বেচ্ছাসেবী থাকবে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা।

ট্যাগ

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *