আন্তর্জাতিক

"জো বাইডেন কি পারবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থের পুনরুদ্ধার করতে"?

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। নতুন অতিথি প্রবেশ করেছে হোয়াইট হাউসে। হোয়াইট হাউস থেকে বিদায় নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিভাবে কোভিড ও কোভিডযুক্ত অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলা করেন, সবার চোখ এখন সেদিকে।

করোনার টিকা উদ্ভব হয়েছে এক বছরের মধ্যে। টিকাকরণ শুরু হয়ে গেছে। তবে টিকা উদ্ভব যত দ্রুত হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে টিকাকরণের সেই গতি দেখা যাচ্ছে না। আরেকটি কারণ হচ্ছে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনা সম্পর্কে অবহেলা এবং আরেকটি কারণ হচ্ছে করোনার মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া।

জো বাইডেন ক্ষমতায় আসা মাত্রই টিকাদানের গতি আনার কয়েকটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। পরীক্ষার হার বাড়ানোর জন্য বিশেষ আদেশে সই করেন তিনি। ব্যাপারটা সময়ের সাথে যুদ্ধ করার মতো। এটা শুধু জীবন বাঁচানোর জন্যও নয়, অর্থনীতি টিকিয়ে রাখার জন্যও।

গ্রীষ্মকালটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অনেক খারাপ গেছে। এরপর তৃতীয় প্রান্তিকে অর্থনীতি অনেকটা ঘুরে দাঁড়ালোও চতুর্থ প্রান্তিকে সংকুচিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি। করোনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিমাসেই কর্মসংস্থান বাড়ছিল। কিন্তু গত বসন্তের পর এই প্রথম দেশটিতে কর্মসংস্থান হ্রাস পায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা থাকার সময় কয়েক দিনের মধ্যে ৯ লাখ মার্কিন নাগরিক বেতন ভাতার জন্য আবেদন করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট সিএনএন বিজনেসকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মার্কিন অর্থনীতি অন্যদিকে চলছে। তাতে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে জিপিডির বড় ধরনের সংকোচ হতে পারে।

এ পর্যন্ত করোনাই চার লাখের বেশি মার্কিন নাগরিক মারা গেছে। দেশটির কর্মকর্তারা বলেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি মৃতের সংখ্যা ৫ লাখ ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এখনো করোনা নিয়ন্ত্রণে না আসায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক স্থানে বিধি নিষেধ জারি রয়েছে। অনেক সচেতন নাগরিকরাও নিজে থেকেই নানারকম বিধিনিষেধ মেনে চলছে।

সিএনএন বিজনেস রিকভারি ড্যাশবোর্ড অনুসারে অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহন, হোটেল কক্ষ বুকিং, সিনেমার টিকিট বিক্রি, অনেক কিছু এখন সংকটের সময়ের চেয়ে অনেক কম।

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *