স্বাস্থ্য

ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত কত গ্লাস পানি খাওয়া জরুরী?

প্রচন্ড গরমের মধ্যেই এবার রোজা শুরু হয়েছে। প্রায় ১৫ থেকে ১৬ ঘন্টা পানি পান না করার কারণে অনেকের শরীরে পানি ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু ডায়াবেটিস ও কিডনির অসুখে যারা ভুগছেন তাদের মধ্যে এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। রোজায় পানিশূন্যতা হলে শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন: অতিরিক্ত মুখ ও ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। এই সময় পানিশূন্যতা এড়াতে কিছু বিষয় অনুসরণ করতে পারেন। যেমন:

০১. শরীরে আদ্রর্তা বজায় রাখতে পানির বিকল্প নেই। সেহরি ও ইফতারি মিলিয়ে কম করে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন। এছাড়া ইফতারে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে যেসব ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণ পানি আছে যেমন:- শসা, তরমুজ এবং আঙ্গুর ইত্যাদি খেতে পারেন।

০২. সেহরি বা ইফতারে অতিরিক্ত মসলাযুক্ত ও লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ এসব খাবার শরীরে পানি চাহিদা তৈরি করে।

০৩. সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডোনাট, পেস্ট্রি, বা এই ধরনের মিষ্টি জাতীয় খাবার শরীরে পানির চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। সেহরিতে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে শরীরের শক্তি কমে যেতে পারে।

০৪. ইফতার বা সেহরিতে কম বেশি সবাই চা-কফি পান করেন। তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাবার খেলে ঘন ঘন পানি পিপাসা পায়। এছাড়াও ইফতার বা সেহরিতে ধুমপান করলে মুখ শুকিয়ে যায়।

০৫. যেহেতু এবারের গরমে এরই মধ্যে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী ছুঁয়েছে একারণে যতটা সম্ভব রৌদ এড়িয়ে চলুন। কারণ অতিরিক্ত ঘামে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়ে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সুস্থ থাকতে ইফতারে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার খান। সেই সঙ্গে খাবারের তালিকায় স্বাস্থ্যকর খাবার যোগ করুন।

ট্যাগ

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *