স্বাস্থ্য

উচ্চ রক্তচাপ ,ডায়াবেটিস, অ্যাজমা,অ্যালার্জি, করোনার টিকা নিতে পারবে কি না?

করোনা মহামারীতে অনেকের মধ্যে করোনার টিকা আসার পরে দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে আছে টিকা নেওয়া টা ঠিক হবে কি না? কারণ অধিকাংশ মানুষই রোগে আক্রান্ত। বিশেষ করে হূদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা-অ্যালার্জি ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত।

এছাড়া সাধারণ মানুষের মাথায় অনেক প্রশ্ন ঘুরছে,যে সকল মানুষ হার্টে স্টেন্ট রিং পড়িয়েছেন, ওপেন হার্ট সার্জারি করিয়েছেন তারা টিকা নিতে পারবে কিনা? এসব রোগীর করোনার টিকা নেওয়ার আগে পূর্বের ওষুধ খাওয়া বন্ধ করতে হবে কিনা? এ প্রশ্ন সকলের মাথার মধ্যে আসছে এবং করোনার টিকা নিতে দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

উপরে প্রশ্ন গুলো যদি একবারে উত্তর করা হয় তাহলে সকলেই করোনার টিকা নিতে পারবে।বিশেষ করে ১৮ বছরের বেশি যে কেউ করোনার টিকা নিতে পারবে।

কোন ধরনের রোগী করোনার টিকা দিতে পারবে না?

করোনার টিকা সেই সকল মানুষ নিতে পারবেন না যারা কোন হঠাৎ চলমান রোগে আক্রান্ত যেমন-জ্বর, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, নতুন হার্ট অ্যাটাক, একিউট কিডনি ফেইলুর, একিউট লিভার ফেইলুর, নতুন ব্রেন স্ট্রোক, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, ও ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী যদি কেমোথেরাপি অথবা রেডিওথেরাপি নিয়ে থাকে তবে নেওয়া যাবে না।

তবে উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ এসব যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারা করোনার টিকা নিতে পারবে। প্রথম ডোজ নেওয়ার সময় খারাপ ধরনের এলার্জি যদি দেখা দেয় তাহলে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যাবে না।

গর্ভবতী মায়ের টিকা নিতে পারবে কি না?

গর্ভবতী মায়েদের টিকা নেওয়া ঠিক হবে কি এটা নিয়ে অনেক প্রশ্ন আসছে মানুষের মাঝে।তবে চিকিৎসকরা বলেছে গর্ভবতী মায়ের যদি খুব বেশি অসুস্থ না হয় তাহলে তারা টিকা নিতে পারবেন।

করোনার টিকা নিয়ে অনেকেই অনেক রকম মিথ্যা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছে। যেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। টিকা কোন ভয় বা আতঙ্কের বিষয় নয় ।এটা নেওয়ার পরে এখন পর্যন্ত কেউ মারা গেছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আংশিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে যেটা টিকা নেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে ঠিক হয়ে যাচ্ছে।

তাই সকলের উচিত নিজের টিকা গ্রহণ করে বাসার সকলের টিকা নেয়া উৎস করা কারণ শুধু ৫০%-৭০% মানুষ করোনার টিকা নিলে করোনা নির্মূল করা সম্ভব না ১০০ ভাগ নিশ্চিত করতে হবে করোনা টিকা। তাহলে ভাইরাস এই ভাইরাস থেকে বাঁচা সম্ভব।

ট্যাগ

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *