বিনোদন

না ফেরার দেশে চলে গেলেন এ টি এম শামসুজ্জামান!

একদিন সবাইকে পাড়ি দিতে হবে না ফেরার দেশে। বিখ্যাত অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানও সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে! তিনি আজ শনিবার সকাল ৮টায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না ইলাইহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে তাঁর মেয়ে কোয়েল। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮০ বছর। মৃত্যুর সময় পরিবারের রেখে গেছেন স্ত্রী সহ তিন মেয়ে ও দুই ছেলে কে।

গত কয়েক বছর ধরে নানান ধরনের শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন বিখ্যাত অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান। গতবছর ২৬ এপ্রিল রাতেও বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেদিন রাতে তার খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। সে রাতে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। এ টি এম শামসুজ্জামানের অন্তে প্যাঁচ লেগেছিল। সেখান থেকে দেখা দেয় আন্ত্রিক প্রতিবন্ধকতা। এতে দেখা দেয় বিভিন্ন উপসর্গ, এরপর অস্ত্রোপচার করা হয় তার। অস্ত্রোপচার করার পর কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।

১৯৪১ সালে ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের বিখ্যাত অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান। তাঁর গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলাকোটের বড়বাড়ি। তিনি পড়াশোনা করেছেন ঢাকা প্রগোজ স্কুল, কলেজিয়েট স্কুল ও রাজশাহীর লোকনাথ হাইস্কুলে। তোর বাবা নুরুজ্জামান ছিলেন বিখ্যাত উকিল এবং শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতি করতেন। পাঁচ ভাই তিন বোনের মধ্যে শামসুজ্জামান ছিলেন সবার বড়। তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর 'বিষকন্যা'চলচ্চিত্রের সহকারি পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন 'জলছবি' চলচ্চিত্রের জন্য

রেদওয়ান রনি পরিচালিত, 'চোরাবালি' ছবিতে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *