সারাদেশ

কেন বিএনপি সমর্থকদের প্রথমে ভ্যাকসিন দিতে চায় সরকার ?

২০২১ সালের চলতি মাসে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট মাধ্যমে অক্সফোর্ডের ৫০ লক্ষ করোনা ভ্যাকসিন পেয়েছে বাংলাদেশ। ভারতে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন আসার পরে তারা এটা কি পরীক্ষা করার জন্য ২০ বানোরের উপর পরীক্ষা চালায় ,০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে বানানোর শরীরে দফায় দফায় করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় এবং তাতে সফলতা পেয়ে ভারতের মানুষের উপর করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হয়।ভারতের মানুষের শরীরে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন প্রয়োগ এর পরবর্তীতে এসব মানুষের শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের উপর এই করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন কতটা কার্যকর হবে?

বাংলাদেশ সরকারের প্রথম বিএনপি এর সমর্থক দের করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে। সরকারের এমন ঘোষণার পরই বিএনপির উচ্চ পদের ব্যক্তিবর্গরা বলছেন করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রথম বিএনপি সমর্থকদের দেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে বিএনপি নিধন করা।

বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রী গন তাদের দেশের মানুষের মধ্য থেকে অনাস্থা দূর করার জন্য প্রথমে নিজে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণের মধ্যে থেকে এ অনাস্থা দূর করতে পারছে না , অনাস্থা দূর করার জন্য বিএনপি দের প্রথমে ভ্যাকসিন দিয়ে এ অনাস্থা দূর করতে চায় সরকার।

করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন নিয়ে বিভ্রান্তি অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে , মানুষেরা একটা আস্থা অনাস্থা এর দোলা-চলের মধ্যে পড়ে গেছে । সৃষ্টি হয়েছে অনাস্থার যার ফলে সাধারণ মানুষ এখন করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন এর উপর আস্থা রাখতে পারছে না। আর এর মূল কারণ হচ্ছে ভারতের মানুষের উপরে এ ভ্যাকসিন এর বিরূপ প্রভাব পড়া ।

করনা ভাইরাসের টিকা নিয়ে বিবিসি নিউজ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এখনি করানো ভাইরাসের টিকা নিতে প্রস্তুত নয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।তাদের কাছে এর বৈজ্ঞানিক কোন ব্যাখ্যা না থাকলেও তারা বলেছে টিকা নিয়ে তাদের মনে একটা অনাস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর একটি কারণ তারা উল্লেখ করেছে যে করেনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে ভারতের মানুষ অসুস্থ এমনকি অনেকে মৃত্যু বরণ করেছে যার কারণে ভ্যাকসিন নিতে তারা প্রস্তুত নয়।

ট্যাগ

আরও পড়তে পারেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *